ডিসেম্বরে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্টিত হবে ১ মাস পরেই তফসীল, ইউপি হবে মার্চে-নির্বাচন কমিশনার

ঢাকা অফিস-

আর মাত্র একমাস পরেই পেৌরসভা নির্বাচনের তফসীল ঘোষনা করবেন নির্বাচন কমিশনার আর সেই লক্ষে ব্যাপক প্রস্কুতি নিচ্ছেন কর্মকর্তারা তবে এই বার পেৌরসভা নির্বাচন অনুষ্টিত হবে এক যোগে এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার।19_6_2

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আগামী বছরের মার্চে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভা নির্বাচন ডিসেম্বরে করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
পৌরসভা একযোগে এবং ইউপি নির্বাচন ধাপে ধাপে করারও পরিকল্পনা করছে নির্বাচন পরিচালনাকারী এ প্রতিষ্ঠানটি।
ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচন উপযোগী পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের তালিকাও ইসিতে পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে পৌভসভা নির্বাচন করতে চাই এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন মার্চ-এপ্রিলে শুরু করতে পারি। সেভাবেই আমরা পরিকল্পনা করছি।’
এদিকে সেপ্টেম্বরে পৌরসভা ও অক্টোরের শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য কমিশনে পাঠায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ইসির চাহিদার পরিপেক্ষিতে এ তথ্য পাঠায় তারা।
ইসির সহকারী সচিব মোহাম্মদ আশফাকুর রহমান জানান, ‘ইসির চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ১ অক্টোবর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শরীফা আহমেদ স্বাক্ষরিত ৪ হাজার ৫৫৩টি ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা আমরা পেয়েছি। তাতে শপথ ও পরিষদের প্রথম সভার তারিখ উল্লেখ করা আছে।’
তিনি জানান, ওই তালিকা থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়নের তালিকা করা হচ্ছে। এ ছাড়া সীমানা ও আইনগত জটিলতা রয়েছে এমন ইউপিগুলোও আলাদা করা হবে।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ অনুযায়ী, পরিষদ গঠনের জন্য আগের নির্বাচনের পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হয়। নির্বাচনের পরবর্তী প্রথম সভা থেকে পরবর্তী ৫ বছর নির্বাচিত ব্যক্তি দায়িত্ব পালন করেন।
ইসি সূত্র জানায়, সর্বশেষ ২০১১ সালে মার্চ-থেকে জুন পর্যন্ত কয়েকটি ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন অনুযায়ী, নির্বাচনের পরবর্তী প্রথম সভা থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর পৌরসভার মেয়াদ। এ মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হয়।
ইসি জানায়, ২০১১ সালের জানুয়ারিতে পাঁচ ধাপে দেশের ২৫৭টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসেবে, আগামী নভেম্বরের শেষ থেকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করার আইনী বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে দেশের ৩২৩টি পৌরসভার মেয়াদ সংক্রান্ত তথ্য ইসিতে পাঠানো হয়েছে। যার মধ্যে আড়াই শতাধিক পৌরসভা নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।
এদিকে অতীতের অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করে পৌরসভা নির্বাচন একযোগে করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন।
গত বছরে ‍উপজেলা নির্বাচন কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হলে ভোটকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা, কারচুপি, জালিয়াতি ও কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটে। পৌরসভা নির্বাচনে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতির না হয় তার জন্য একযোগে করতে চায় ইসি। তবে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় একযোগে নির্বাচন করা সম্ভব হবে না বলে মনে করছে নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটি।
নির্বাচন কমিশন সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সাড়ে চার হাজারের উপরে ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এতগুলো ইউপিতে একযোগে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। তবে পৌরসভায় যতটা সম্ভব একযোগে করে ফেলব। তবে কয়েকটি পৌরসভায় ভিন্ন সময়ে নির্বাচন করা হতে পারে।

Share and Enjoy

  • Facebook
  • Twitter
  • Delicious
  • LinkedIn
  • StumbleUpon
  • Add to favorites
  • Email
  • RSS





Related News

  • পরশুরামে ২৬টি পুকুরে ৩২১ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত
  • পরশুরাম পোষ্ট অফিসের ডিপিএসের টাকা তুলতে হয়রানি
  • ফুলগাজী-পরশুরামের মুহুরী-কহুয়া বেড়ী বাঁধ ভেঙ্গে ৮ গ্রাম প্লাবিত
  • ফেনীতে জিপিএ ৫ বেড়েছে
  • ক্ষমা চাইছি, অতিরিক্ত লাভে বিক্রি করব না গ্র্যান্ড হক টাওয়ারের দোকানদার
  • হাত জোড় করে ক্ষমা চাইছি, অতিরিক্ত লাভে  বিক্রি করব না’ ফেনী শহরের গ্র্যান্ড হক টাওয়ারের মায়াবি কালেকশনের মালিক
  • ‘মেয়ের লাশ বিক্রি করে টাকা নিব না’
  • ফেনীতে অস্ত্রসহ তিন ছিনতাইকারী আটক
  • Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
    Email
    Print