মীর কাসেমের রায় রোববার

NSAVS20141030125059নিজস্ব প্রতিবেদক : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে রায় আগামী রোববার ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৪ মে উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে মামলার রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

মীর কাশেম আলীর পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ আল আমিন যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। এরপর প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

এর আগে আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম তার যুক্তি উপস্থাপন করেন। অন্যদিকে গত ২৭ ও ২৮ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষে জেয়াদ-আল-মালুম, সুলতান মাহমুদ সীমন ও ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ যুক্তি উপস্থাপন করেন।

যুক্তি উপস্থাপন শেষে প্রসিকিউশন দাবি করেছেন, তারা মীর কাসেম আলীর অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এ জন্য তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলেও আশা প্রকাশ করে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষ দাবি করেছেন, মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রসিকিউশন তাদের অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। তারা আশা করছে, তিনি খালাস পাবেন।

গত বছরের ১৬ মে প্রসিকিউটর জেয়াদ-আল-মালুমসহ প্রসিকিউশন টিম ১৪টি অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার বরাবর দাখিল করে। ২৬ মে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১। এরপর মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২-এ স্থানান্তর করা হয়।

মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনীত ১৪টি অভিযোগের মধ্যে ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগ ছাড়া বাকি সব অভিযোগে আটক করে নির্যাতনের বর্ণনা রয়েছে।

১১ নম্বর অভিযোগে বলা হয়েছে, একাত্তর সালের ২৮ নভেম্বর শহীদ জসিমসহ ছয়জনকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।

১২ নম্বর অভিযোগে বলা হয়, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ তিনজনকে অপহরণ করে নির্যাতন করা হয়। এরপর সেখান থেকে দুজনকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়।

এ ছাড়া বাকি সবগুলো অভিযোগেই আটক করে নির্যাতনের বর্ণনা রয়েছে।

গত বছরের ১৮ নভেম্বর মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ওপেনিং স্টেটমেন্ট উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়। এরপর ১১ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মীর কাসেম আলীকে ১৪টি ঘটনায় অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত বছরের ৬ মে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে হত্যা, নারী নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৪টি অভিযোগে তদন্ত চূড়ান্ত করে তদন্ত সংস্থা প্রসিকিউশনে জমা দেয়।

২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মতিঝিলের দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয় (দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশন) থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

Share and Enjoy

  • Facebook
  • Twitter
  • Delicious
  • LinkedIn
  • StumbleUpon
  • Add to favorites
  • Email
  • RSS





Related News

  • বিএনপির নেতৃত্ব হারাচ্ছেন খালেদা-তারেক?
  • আ’লীগের আমলে পুঁজিবাজার থেকে ১ লাখ কোটি টাকা লুণ্ঠন হয়েছে : বিএনপি
  • সারাদেশে সাড়ে পাঁচ শ ইউপিতে বিএনপির কোন প্রার্থীই ছিলনা
  • সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ডের ২৪৪ পৃষ্ঠার এ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন
  • খালেদা জিয়ার কোনো সিম থাকলে তা বন্ধ হয়ে গেছে : তারানা হালিম
  • ‘এতো খারাপ নির্বাচন মনে হয় এ দেশের কেউ আগে দেখেনি’
  • জামায়াতের ২৪ ঘণ্টার হরতাল
  • ফেনীতে ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদে আ লীগ ত্যাগীদের বাদ দিয়ে তরুনদের প্রাধান্য
  • Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
    Email
    Print